মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
কলাপাড়ায় কেন্দ্র সচিব এবং কক্ষ প্রত্যবেক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা বরিশাল মহানগর শ্রমিকদলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত চেম্বার অব কমার্সের পক্ষ থেকে স্মারকলিপি পেশ স্কুলছাত্রীকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় কিশোরের ওপর দফায় দফায় হামলা, থানায় অভিযোগ কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত আবারো মৃত ডলফিন পটুয়াখালীতে ইফতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষকদের মানববন্ধন ও  স্মারকলিপি প্রদান জনগণ চাইলে নির্বাচনে অংশ নেব — সাংবাদিক হাফিজুল ইসলাম শান্ত উজিরপুরে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পিং-এর শুভ উদ্বোধন বরিশালে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে কুইজ, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো ৮ ফুট লম্বা মৃত ইরাবতী ডলফিন বরিশাল কালেক্টরেট স্কুলের এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা কলাপাড়ায় স্যাডো ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে দাঁড়ালেন সদর আসনের এম পি সরোয়ার বরিশালে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও নারী শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে উঠান বৈঠক বরিশালে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ ভাতার দাবিতে মানববন্ধন
পাবনায় ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে ২ জনের ফাঁসি

পাবনায় ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে ২ জনের ফাঁসি

Sharing is caring!

পাবনায় গার্মেন্টস কর্মী কাকলীকে (৩০) ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে আসামি ইকবাল হোসেন (৪৪) ও আজিম হোসেনকে (৪৫) ফাঁসি দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত। এছাড়াও প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (২০ নভেম্বর) পাবনা নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ওয়ালিউর রহমান এ রায় দেন। এ মামরায় তিনজনের মধ্যে একজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- পাবনা জেলার সুজানগর থানার বনগ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে আজিম উদ্দিন ও তার বন্ধু ঢাকা নবীনগরের মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে ইকবাল হোসেন।

মৃত কাকলী খাতুন রাজবাড়ী জেলার কালুখালী গ্রামের জলিল সরদারের মেয়ে। তিনি ঢাকার একটি গার্মেন্টসে কাজ করতেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর বিয়ের প্রলোভন দিয়ে আসামি ইকবাল ও আজিম ঢাকা থেকে কাকলীকে পাবনার সুজানগরে নিয়ে আসেন। এরপর রাতে উপজেলার রামজীবনপুর মাঠের একটি নার্সারির মধ্যে তাকে নিয়ে ধর্ষণের পর তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে সুজানগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রওশন মিয়া ঘটনাস্থল থেকে কাকলীর মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পাবনার সুজানগর থানায় অজ্ঞাত আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে আসামিদের মোবাইল ট্র্যাকিং করে তাদের আটক করা হয়। আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ কারা হলে তারা হত্যার সঙ্গে জড়িত বলে স্বীকার করেন। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রওশন আজিম ও ইকবালকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আসামিদের উপস্থিতিতে বিচারক এ রায় দেন।

মামলায় সরকারি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন- পাবনা নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট খন্দকার আব্দুর রকিব এবং আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট শরিফুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট কাজি মকবুল হোসেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © crimeseen24.com-2024
Design By MrHostBD